১ সপ্তাহে nbajee থেকে ডাউনলোড করা ছবি সম্পাদকের সাথে আমার জীবন কেমন বদলে গেল!
· অফিসিয়াল
সবাই কেমন আছেন? আমি একজন সাধারণ গৃহিণী, সারাদিন ঘর-সংসার আর ছেলেমেয়েদের নিয়েই ব্যস্ত থাকি। স্মার্টফোনটা মূলত ছবি তোলা আর টুকটাক সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের জন্য ব্যবহার করি। কিন্তু আমার একটা আফসোস ছিল, ছেলেমেয়েদের সুন্দর মুহূর্তগুলোর ছবিগুলো ঠিক যেমনটি চাই, তেমনভাবে ফুটে উঠতো না। আলো কম, রঙ ফ্যাকাসে – মনটা খারাপ হয়ে যেত। সেদিন আমার ননদ nbajee এর কথা বলছিল, বলল ওখানে নাকি সব ধরনের অ্যাপ পাওয়া যায়। আমি সাহস করে nbajee থেকে একটা ছবি সম্পাদকের অ্যাপ ডাউনলোড করে ফেললাম। বিশ্বাস করুন, গত এক সপ্তাহে আমার অভিজ্ঞতাটা দারুণ ছিল!
১ম দিন: প্রথম পরিচয়
প্রথম দিন অ্যাপটা ডাউনলোড করে আমি একটু ভয় পাচ্ছিলাম, ভাবছিলাম এত কঠিন হবে! কিন্তু অবাক কাণ্ড! অ্যাপটার ইন্টারফেস এত সহজ যে, আমি অল্প সময়ের মধ্যেই বেসিক কিছু কাজ শিখে ফেললাম। nbajee তে এর যে বর্ণনা ছিল, তার চেয়েও এটা বেশি সহজ মনে হলো আমার কাছে।
৩য় দিন: পুরনো ছবিগুলোকে নতুন জীবন দেওয়া
আমার গ্যালারিতে অনেক পুরনো ছবি ছিল, যেগুলো আলোর অভাবে বা রঙের কারণে ততটা সুন্দর লাগতো না। এই অ্যাপটা ব্যবহার করে আমি সেগুলোতে একটু আলো বাড়ালাম, রঙের স্যাচুরেশন ঠিক করলাম। মনে হলো পুরনো স্মৃতিগুলো যেন নতুন করে প্রাণ ফিরে পেল! nbajee থেকে যে এমন একটা সহজ কিন্তু শক্তিশালী টুল পাব, ভাবিনি।
৫ম দিন: ফ্যামিলি পোট্রেট
গত শুক্রবার আমরা সবাই মিলে একটা ফ্যামিলি পোট্রেট তুললাম। কিন্তু পেছনে একটু এলোমেলো জিনিসপত্র ছিল। এই অ্যাপটার “ব্যাকগ্রাউন্ড রিমুভ” অপশনটা ব্যবহার করে আমি সহজেই ব্যাকগ্রাউন্ডটা সুন্দর করে দিলাম। ছেলেমেয়েরা দেখে তো অবাক! মা তুমি এত সুন্দর ছবি এডিট করা শিখলে কবে থেকে! 😊
৭ম দিন: আমার ছোট্ট ব্লগ
আমার একটা ছোটখাটো রান্নার ব্লগ আছে, যেখানে আমি রেসিপি আর ছবি শেয়ার করি। আগে খাবারের ছবিগুলো যেমন-তেমন দেখাতো। এখন এই nbajee থেকে পাওয়া এডিটরটা দিয়ে আমি খাবারের ছবিগুলোকে আরও আকর্ষণীয় করে তুলতে পারছি। ভিউয়ার্সরাও বাড়ছে, কমেন্টও পাচ্ছি বেশি। আমার আত্মবিশ্বাস অনেক বেড়ে গেছে।
nbajee থেকে এই ছবি সম্পাদকের অ্যাপটা ডাউনলোড করে আমার জীবনটা যেন আরও রঙিন হয়ে উঠেছে। আমার মতো যারা ভাবেন এডিটিং অনেক কঠিন, তাদের বলবো একবার nbajee তে গিয়ে ভালো একটা ছবি এডিটর ডাউনলোড করে দেখতে। আপনারাও আমার মতো মুগ্ধ হবেন!